শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮, ৮:১৪:৫৫ অপরাহ্ণ
Home » স্বাস্থ্য » শীতে বুকে কফ জমে গেলে যা করবেন

শীতে বুকে কফ জমে গেলে যা করবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক:
তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে শিশুর বুকে জমানো কফ দূর করা যেতে পারে। চলুন, দেখে নেয়া যাক –

আদা :
বুকে জমে থাকা কফ দূর করতে আদা খুবই কার্যকরী। আদা চা কিংবা আদা পানি খেলে এই সমস্যার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আদা পানির জন্য এক গ্লাস গরম পানিতে আদা কুচি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ভালোভাবে ফুটে উঠলে আদা ছেঁকে নিন এবং কুসুম গরম থাকা অবস্থায় খেয়ে ফেলুন। এছাড়া শুষ্ক কাশি এবং গলা খুসখুস ভাব কমানোর জন্য একটুকরো আদা মুখে নিয়ে রেখে দিতে পারেন।

লেবু ও মধুর সিরাপ :
এক চামচ মধুর সাথে লেবুর রস ও দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে একটি সিরাপ তৈরি করুন। যখনই গলা খুসখুস করবে বা কফের কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হবে তখনই এই সিরাপটি খেয়ে নিন। তাছাড়া কুসুম গরম পানিতে লেবু ও এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে গলা পরিষ্কার থাকে।

হলুদ :
শুধু অ্যান্টিসেপ্টিক নয়, হলুদে আছে কারকিউমিন নামক উপাদান যা জমে থাকা কফ দ্রুত বের করতে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন কুলকুচি করার জন্য এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। অথবা এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে এর সাথে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন।

তরল খাবার :
বুকে কফ জমে থাকার কারণে খাবারের কষ্ট হয়। তাই এই সময় বেশি করে তরল এবং গরম খাবার খেলে আরাম পাওয়া যায়। সারাদিন প্রচুর পানি, জুস, মুরগী ও সবজির স্যুপ বা তুলসী পাতার চা পান করুন।

গড়গড়া করা :
গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলা ব্যথা কমে যায়। এজন্য এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করুন। এভাবে দিনে অন্তত তিনবার গড়গড়া করার চেষ্টা করুন। এটি কাশি কমাতে বেশ কার্যকর একটি ঘরোয়া উপায়।

গরম পানির ভাপ :
ফুটন্ত গরম পানিতে মেন্থল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। চুলা থেকে পানি নামিয়ে একটি বড় তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে নিন এবং ঘন ঘন শ্বাস নিন। এভাবে অন্তত ১০ মিনিট করে দিনে ২ বার ভাপ নিন। এতে বন্ধ থাকা নাক খুলে যাবে এবং বুকে জমে থাকা কফ বের হয়ে আসবে।

কাশি হলে কিছু খাবারও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে-

প্রক্রিয়াজাত খাবার :
প্রক্রিয়াজাত খাবার কাশি চলাকালীন একেবারেই ঠিক নয়। কাশি বাড়বে। ব্রেড, পাস্তা, বেকড খাবার, চিপস বা সুগারি ডেসার্টে কাশি বাড়ে। বদলে শাকসবজি বা পুষ্টিকর খাবারে মন দিন। বিশেষ করে ভিটামিন সি যে খাবারে রয়েছে।

ডিহাইড্রেশন :
কাশি হলে গলা শুকনো একেবারেই রাখা ঠিক নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, তরল খাবার যেমন স্যুপ খেতে পারেন।

দুধ :
কাশি হলে অনেকেই বলেন, গরম দুধ খেতে। গলায় আরাম হয় ঠিকই, কিন্তু একই সঙ্গে দুধ ফুসফুস ও গলায় মিউকাস প্রোডাকসন বাড়িয়ে দেয়। কাশি হলে তাই দুধ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

//এল//

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *