মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৮, ১:০০:১৭ পূর্বাহ্ণ
Home » অন্যান্য » যানজট নেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতু জাতীয় মহাসড়কে ৩০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ

যানজট নেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতু জাতীয় মহাসড়কে ৩০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, স্টাফ রিপোর্টারঃ-
৩০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ হয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে।প্রশাসনের কঠোর নজরদারী থাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মাহসড়ক এবং বঙ্গবন্ধু সেতু জাতীয় মহাসড়কে নেই যানজট।ঈদের আগে ও পরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক যানজট মুক্ত রাখতে পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছে বলে আজ শুক্রবার মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মিজানুল হক মিজান জানিয়েছেন।আজও মহাসড়কক পরিদর্শন করতে এসেছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিব কুমার রায়সহ প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা।
আজ শুক্রবার মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে দেখা গেছে পুলিশের কঠোর নজরদারীর কারনে মহাসড়ক প্রায়ই ফাঁকা।দু, চারটি যানবাহন চলচলাচল করলেও নেই কোন যানজট।পুলিশ সুত্র জানায়, চন্দ্রা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতরু পুর্বপ্রান্ত থানা পর্যন্ত মহাসড়ককে চারটি সেক্টরে ভাগ করে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছেন।প্রতিটি সেক্টরে একজন করে সহকারী পুলিশ সুপারের নের্তৃত্বে কাজ করছেন, থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, আর্মস পুলিশ ব্যাটালিয়ন, আনসার বাহিনী ও কমিউনিটি পুলিশের সদস্যরা।মহাসড়কের গুরুত্বপুর্ন পয়েন্ট ও বিভিন্ন বাঁকে বাঁকে বাঁশের বেড়ি ও তাবু টানিয়ে যানজট মুক্ত রাখার কাজ করছেন। এছাড়া মহাসড়ক দেখবালের জন্য চৌরাস্তা থেকে চন্দ্রা, চন্দ্রা থেকে ক্যাডেট কলেজ ও চন্দ্রা থেকে নবীনগর পর্যন্ত দেখাশোনা করছেন গাজীপুর ও ঢাকা জেলা পুলিশ।ক্যাডেট কলেজ থেকে নাটিয়াপাড়া পর্যন্ত মির্জাপুর থানা পুলিশ, নাটিয়াপাড়া থেকে করটিয়া পর্যন্ত বাসাইল ও দেলদুয়ার থানা পুলিশ, করটিয়া থেকে এলেঙ্গা ও বঙ্গবন্ধও সেতু পর্যন্ত দেখাশোনা করবে টাঙ্গাইল, কালিহাতি, ভুয়াপুর ও বঙ্গবন্ধু সেতু থানার পুর্ব প্রাপ্ত থানা বলে পুলিশ সুত্র জানিয়েছেন।মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস, পাকুল্যা, ধেরুয়া, গোড়াই ও ক্যাডেট কলেজ এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে দেখা গেছে যানজট নেই।
এর আগে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।জরুরী সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. নেছার উদ্দিন জুয়েল।সভায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ঈদের আগে ও পরে যানজট মুক্ত রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে।মহাসড়কে মোবাইল পেট্্েরালিং, স্টাইকিং ফোর্স, হোন্ডা মোবাইল, পুলিশের ফিক্্রড উিউটি, লিংরোডে বাঁশকল স্থাপন, অতিরিক্ত রেকার ব্যবস্থা, ঈদের তিন দিন আগে ট্রাক লড়ি ও কাভার্ড ব্যান বন্ধ রাখা, ফিটনেস বিহিন গাড়ী চলাচল বন্ধ রাখা, ঢাকা-মানিকগঞ্জ রোডের কালামপুর থেকে ওয়ার্শি-লয়া-মির্জাপুর রাস্তায় যানবাহন চলাচল সচল রাখা, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মহাসড়কে নজরদারী বাড়ানো এবং চার লেন প্রকল্পের নির্মান কাজে নিয়োজিত দুটি সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জরুরী মুহর্তে মহাসড়কে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে পুলিশ সুত্র জানিয়েছে। গত ৩০ বছরের মধ্যে এ বছর ঈদের আগে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট না থাকায় স্বস্তির কথা জানিয়েছেন যাত্রীরা।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিব কুমার রায় বলেন,এবারে ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে যানজট নিরসনের জন্য ট্রাফিক পুলিশ, থানা পুলিশ, আর্মস পুলিশ ব্যাটারিয়ন, কউিনিটি পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।আশা করা যাচ্ছে সবার সহযোগিতায় এ বছর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে কোন যানজট থাকবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *