শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯, ৬:২০:৫৭ অপরাহ্ণ
Home » অন্যান্য » মির্জাপুরে সাব রেজিষ্টারের অফিসের সামনে ইট বালির ব্যবসা বিপাকে সাধারন মানুষ

মির্জাপুরে সাব রেজিষ্টারের অফিসের সামনে ইট বালির ব্যবসা বিপাকে সাধারন মানুষ

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, স্টাফ রিপোর্টারঃ-
তদারকি ও নজরদারী না থাকায় সাব রেজিষ্টারের অফিসহ গুরুত্বপুর্ন চারটি সরকারী অফিসের সামনে ইট বালি ও খোয়া ফেলে রাখায় সরকারী দপ্তরে কাজ নিয়ে আসা সাধারন মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।দীর্ঘ দিন ধরে গুরুত্বপুর্ন চারটি সরকারী দপ্তরের সামনে এমন বেহাল অবস্থা চলে আসলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা সদরের বাইমহাটি অফিস পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।আজ সোমবার গুরুত্বপুর্ন সরকারী চারটি অফিসের সামনে গিয়ে দেখা গেছে একটি প্রভাবশালী মহল ইট, বালি ও খোয়া ফেলে আশপাশ দখল করে রেখেছেন।
জানা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন বাইমহাটি এলাকায় উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্্র রয়েছে।উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্্েরর একটু পুর্ব পাশেই রয়েছে সরকারী দপ্তরের গুরুত্বপুর্ন সাব-রেজিষ্টার অফিস, ভুমি অফিস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়, সিনিয়র মৎস কর্মকর্তার কার্যালয়, দলিল লেখক সমিতির অফিসসহ আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে।এছাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিস, সমবায় অফিস, পরিবার পরিকল্পনা অফিস, কৃষি অফিস ও সহকারী কমিশনার(ভুমি) অফিসও রয়েছে।প্রতি দিন শতশত লোকজন যাতায়াত করে থাকেন এই অফিসগুলোতে।এই অফিস গুলোর সামনের দিকে বাউন্ডারী না থাকায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল অফিসগুলোর সামনে দখল করে ইট, বালি, খোয়া ও পাথর ফেলে দীর্ঘ দিন ব্যবসা করে যাচ্ছে।এছাড়া আশপাশের লোকজন বাসা বাড়ির ময়লা আবর্জনাও ফেলে রেখে পরিবেশ নানা ভাবে দুষিত করে যাচ্ছেন।এক দিকে ময়লা আবর্জনার পচা দুর্গন্ধ, অপর দিকে ধুলোবালির কারনে সরকারী অফিসগুলোতে কাজ নিয়ে আসা বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা লোকজন নানা ভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।জামুর্কি এরাকার বাসিন্দা মো. আমজাদ হোসেন(৪৬), ভাদগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মো. খালেক বেপারি(৬০)সহ অনেকেই অভিযোগ করেন, গুরুত্বপুর্ন সরকারী অফিসের সামনে ইট বালি ও খোয়া ফেলে একটি মহল ব্যবসা করায় কাজ করতে এসে তাদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।বিষয়টির দিকে নজর দেওয়ার জন্য তারা জোর দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা সাব রেজিষ্টার মো. মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, স্থানীয় কিছু লোকজন অফিসের সামনে ইট, বালি, খোয়া ও পাথর ফেলে ব্যবসা করে যাচ্ছে।বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্তা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *