শুক্রবার, নভেম্বর ১৬, ২০১৮, ১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ণ
Home » অন্যান্য » মির্জাপুরে বেসরকারী ক্লিনিকে চিকিৎসর্কদের অবহেলায় প্রসুতির মৃত্যুর অভিযোগ

মির্জাপুরে বেসরকারী ক্লিনিকে চিকিৎসর্কদের অবহেলায় প্রসুতির মৃত্যুর অভিযোগ

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, স্টাফ রিপোর্টারঃ-
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলায় কাজল বিশ^াস (২৭) নামে এক প্রসুতির মত্যু হয়ে বলে অভিখযোগ পাওয়া গেছে।ঘটনার পর নিহত কাজলের স্বজন ও এলাকাবাসির মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।অপর দিকে অপর দুইটি ঘটনায় দুই ব্যক্তির অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।আজ শনিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এ ঘটনা ঘটেছে।নিহতরা হলেন মির্জাপুর উপজেলার ভাবখন্ড গ্রামের লতিফ মোল্লার ছেলে আমিন মোল্লা(৪০) ও বাসাইল উপজেলার নুরুল ইসলামের ছেলে ফজলু মিয়া(৪৫)।
আজ শনিবার বাওয়ার কুমারজানি গ্রামের কাজল বিশ^াসের স্বজনরা অভিযোগ করেন, গত বৃহস্পতিবার কাজলকে কুমুদিনী হাসপাতাল রোডের মির্জাপুর জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগোস্টিক মেডিক্যাল সেন্টার(প্রাইভেট)হাসপাতালের প্রসুতি বিভাগে ভর্তি করেন।হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের ভুল চিকিৎসায় আস্তে আস্তে কাজলের অবস্থার অবনতি হতে থাকে।ঘটনা বুঝতে পেরে কর্তৃপক্ষ কাজলকে মু মু-র্ষ অবস্থায় কুমুদিনী হাসপাতালে রেফার করেন।কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকগন তাকে ঢাকায় রেফার করেন।ঢাকায় নেওয়া হলে চিকিৎসকগন তাকে মৃত ঘোষনা করেন।কুমুদিনী হাসপাতাল ও ঢাকার চিকিৎসকগন কাজলের স্বজনদের জানিয়েছেন মির্জাপুর কেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগোনিস্টিক মেডিক্যাল সেন্টার(প্রাইভেট) হাসপাতালের চিকিৎসকদের অবহেলায় তার মৃত্যু হয়েছে।তদন্ত সাপেক্ষে মির্জাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎক, নার্স ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন নিহত কাজলের অসহায় পরিবার।
অপর দিকে মির্জাপুর থানা পুলিশ সুত্র জানায়, আজ শনিবার সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে পাকুল্যা বাস স্টেশনে রাস্তা পারাপারের সময় বাস চাপায় আমিন মোল্লা মারা যান।এছাড়া গত শুক্রবার বংশাই নদীর যুগিরকোপা এলাকায় ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালি উত্তোলনের সময় পানিতে ডুবে ফজলু মিয়া মারা যান।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগোনিষ্টিক মেডিক্যাল সেন্টার (প্রাইভেট)হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আলম বলেন, ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত থাক না কেন তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *