শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯, ৬:২৬:২৭ অপরাহ্ণ
Home » অন্যান্য » মির্জাপুরে বাঁশতৈল এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ভুলবসত ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র বিপাকে পরীক্ষার্থীরা?

মির্জাপুরে বাঁশতৈল এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ভুলবসত ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র বিপাকে পরীক্ষার্থীরা?

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, স্টাফ রিপোর্টারঃ-
পরীক্ষার হলে ২০১৯ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্রের ভলবসত ২০১৮ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করায় পরীক্ষার্থীরা বিপাকে পরেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।প্রায় ২০ মিনিট লেখার পর বিষয়টি হল সুপার, কক্ষ পরিদর্শক ও কর্তৃপক্ষের নজরে এলে পরে প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে নতুন সিলেবাসের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন।ফলে করে পরীক্ষার্থীরা ভাল ভাবে উত্তর দিতে না পেরে কয়েক শতাধিক পরীক্ষার্থী কান্নাকাটি করে হল থেকে বের হয়েছে।আজ শনিবার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল মো. মনশুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে।
এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন, আজ শনিবার ছিল বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা।বাঁশতৈল মো. মনশুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর কেন্দ্র সচিব মো. এমরান হোসেন, হল সুপার মো. আব্দুস সামাদ ও কক্ষ পরিদর্শকগন ২০১৯ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ভুলক্রমে ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন।পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র দেখে বিপাকে পরেন।পরীক্ষার্থীদের অভিযোগের পর বিষয়টি হল সুপার, কক্ষ পরিদর্শক ও কেন্দ্র সচিবের নজরে আসে।পরে প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে নতুন করে প্রশ্নপত্র বিতরন করেন।এতে করে অধিকাংশ শিক্ষার্থী সময়ের অভাবে ভাল ভাবে প্রশ্নপত্রের সব উত্তর দিতে না পেরে কান্না কাটি করে হল থেকে বের হয়েছে।উপজেলার বংশাই স্কুল এন্ড কলেজ, বংশীনগর সুর্য্য তরুন উচ্চ বিদ্যালয়সহ ৫-৬টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়ে বিপাকে পরেছে বলে জানিয়েছেন।শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকগন বিষয়টির দিকে সু নজর দেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন।তারা আরও অভিযোগ করেছেন, দক্ষ পরিচালনার অভাবে বাঁশতৈল মো. মনশুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীরা অব্যবস্থাপনার মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন ভাবে হয়রানীর শিকার হয়ে আসছে।ফলে এই কেন্দ্রের অধিনে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করতে পারছে না।তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তারা দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে হল সুপার মো. আব্দুস সামাদের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত মোবাইলে(সেল ফোনে) একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।কেন্দ্র সচিব মো. এমরান হোসেন বলেন, ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্রের বান্ডিলের ভিতরে ভুলবসত ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র এসেছিল এবং কয়েকটি কক্ষের শিক্ষার্থীদের বিতরন করা হয়েছিল।বিষয়টি নজরে আসার পর প্রশ্নপত্র দ্রুত পরিবর্তন করে ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র পরীক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হয়।এতে করে শিক্ষার্থীদের লেখার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হয়নি এবং তারা ভাল ভাবেই পরীক্ষা দিয়েছে বলে তিনি দাবী করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজগর হোসেন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো, হারুন অর রশিদ বলেন, বিষয়টি অত্যান্ত দুঃখ জনক।অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে এখন পর্যন্ত অভিযোগ আসেনি।াভিযোগ এলে বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *