বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৬, ২০১৮, ১০:৩৩:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Home » স্বাস্থ্য » মাংস পেশির ব্যথার সহজ সমাধান

মাংস পেশির ব্যথার সহজ সমাধান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অনবরত কোথাও বসে থাকলে বা দাঁড়িয়ে থাকলে অথবা ঘুমের অসাবধানতার কারণে বিভিন্ন ধরনের পেশী ব্যথা হতেই পারে। প্রাই নিত্যদিনই অসহ্য এই যন্ত্রণায় কমবেশি ভুক্তভোগি আমরা। এই ধরনের পেশী ব্যথাগুলো শরীর আড়ষ্ট করে ফেলে, দৈনন্দিন জীবনযাপনকেও করে তোলে ভীষণ কষ্টের।

 

তবে সুস্থ স্বাভাবিক এবং পূর্ণবয়স্ক মানুষ জীবনে কখনও মাংসপেশীর ব্যথা অনুভব করেননি, এ ধরনের ঘটনা সত্যিই বিরল। রোগাক্রান্ত হওয়া ছাড়াই, স্রেফ অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের কারণেও পেশীর ব্যথা হতে পারে। মাংসপেশীর ব্যথা খুব বেশি তীব্র না হলেও ভোগান্তি কিন্তু কম নয়। এসব সমস্যার কিছু কিছু মামুলি ধরনের এবং সাধারণত কোনওরকম জটিলতা ছাড়া এমনিতেই ভাল হয়ে যায়। কিন্তু কিছু কিছু সমস্যা দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে।

 

পেশিতে ব্যথা বা আর্থ্রাইটিসে সল্ট বাথের মাধ্যমে সহজে সমাধান করা যায়। ইপসম লবণ কয়েকশো বছর ধরে ব্যথা উপশমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ইপসম লবণ মিশ্রিত সহনীয় গরম পানিতে গোসল করলে ব্যথামুক্ত হওয়া যায়।

 

ইপসম লবণ কী
আমরা খাবারে যে লবণ খাই তা ইপসম লবণ নয়। ইপসমকে লবণ বলা হয় কারণ, এর রাসায়নিক গঠন। ইপসম ইংল্যান্ডের একটি স্থান যেখানে প্রাকৃতিক ঝর্ণা থেকে এ লবণ পাওয়া যায়।

 

বিভিন্ন ড্রাগস্টোর, সুপারশপ ও খাবারের দোকানে ইপসম লবণ পাওয়া যায়। ইপসম লবণ চর্মরোগ ও আর্থ্রাইটিসসহ বডি রিল্যাক্সমেন্টে সাহায্য করে।

 

কীভাবে কাজ করে
পানিতে এ লবণ ম্যাগনেসিয়াম ও সালফেটের কণা ভেঙে দেয়। তত্ত্ব অনুযায়ী, যখন আপনি ইপসম লবণ মেশানো জলে গা ভিজিয়ে রাখবেন তখন এ উপাদানগুলো আপনার ত্বকের মধ্য দিয়ে শরীরের ভেতর প্রবেশ করে। যদিও তত্ত্বটি সঠিক কিনা তা জানা যায়নি তবে ঈষদুষ্ণ ইপসম জল মাসল রিল্যাক্সমেন্টে সাহায্য করে ও শক্ত পেশি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।

 

যেসব কারণে ইপসম সল্ট বাথ নেওয়া হয়
• বাতের ব্যথা ও ফোলাভাব
• ফুসকুড়ি ও মচকে যাওয়া
• ফাইব্রোমায়ালজিয়া: অবসন্ন পেশি, সন্ধিবন্ধনী ও স্নায়ু
• ইনসমনিয়া
• সোরিয়াসিস: ত্বকের লালচেভাব, চুলকানি ও আঁশ ওঠা
• কাজের পর পেশি ব্যথা
• রোদেপোড়া দাগ
• পায়ের ক্লান্তি ও ফোলাভাব ইত্যাদি

 

ইপসম সল্ট বাথ
স্ট্যান্ডার্ড সাইজ বাথটাবে সহনীয় মাত্রার গরম জলে ১-২ কাপ ইপসম লবণ মেশান। বাথটাবে ১২ থেকে ১৫ মিনিট শরীর ডুবিয়ে রাখুন।তবে, স্নানের জলে কতোটুকু লবণ দেবেন ও কতোসময় গা ভিজিয়ে রাখবেন তা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করা ভালো।

 

অভিজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া হটটাব বা ওয়্যারপুলে ইপসম লবণ ব্যবহার করবেন না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *