সোমবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮, ১২:৪৭:০৩ পূর্বাহ্ণ
Home » অন্যান্য » বর্ষালি ধানের বাম্পার ফলন

বর্ষালি ধানের বাম্পার ফলন

এ মান্নান আকন্দ, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে বর্ষালি ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক উৎসহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ইরি বোরো ধান কাটার পর ওই জমিতে ত্রিফলা হিসাবে বর্ষালি ধান চাষাবাদ করা হয়। বোনাস ফসল পাওয়ার আশায় উজেলার সর্বত্রই চলতি মৌসুমে ব্যাপক বর্ষালি ধানের চাষাবাদ হয়েছে।
উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ইতিমধ্যে বর্ষালি ধান কাটামারি শুরু হয়েছে। আজ থেকে ৫ বছর আগে উপজেলায় বর্ষালি ধানের চাষাবাদ ছিল না। দিন দিন এর চাহিদা বেড়েই চলছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকার কারণে চলতি মৌসুমে বর্ষালি ধানের ফলন ভাল হয়েছে। অল্প জমিতে অধিক ফলনের আশায় কৃষকরা এখন আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে জমিতে একাধিক ফসল চাষাবাদ করছে। শান্তিরাম ইউনিয়নের কৃষক আনজু মিয়া জানান- তিনি দুই বিঘা জমিতে বর্ষালি ধান চাষ করে ছিল। বিঘা প্রতি ১৫ মন ধান পেয়েছে। গত বছর তিনি দুই বিঘা জমিতে ২৮ মন ধান পেয়েছিল। তিনি আরও বলেন বর্ষালি ধানে সার ও বালাই নাশক কম প্রয়োগ করতে হয়। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে-চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বর্ষালি ধানের চাষাবাদ হয়েছে। গত বছর এর পরিমান ছিল ৪৫০ হেক্টর। দিন দিন এর পরিমান বেড়েই চলছে। সাধারনত ব্রি-২৮, ব্রি-৪৮ ও ব্রি-৫০ জাতের ধান বর্ষালি মৌসুমে বেশি চাষাবাদ করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশেদুল ইসলাম জানান -কৃষি মন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ববধানে উপজেলায় বর্ষালি ধানের চাষাবাদ প্রতি বছর বেড়েই চলছে। অল্প খরচে বোনাস ফসল হিসাবে ইরি বোরো ধান কাটার পর বর্ষালি ধান রোপন করা হয়। প্রায় ১৩০ হতে ১৪০ দিনের মধ্যে এর ফলন পাওয়া যায়। তিনি বলেন আমন মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই বর্ষালি ধান কেটে ঘরে তোলা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *