বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮, ৫:৪১:২৫ অপরাহ্ণ
Home » সারাদেশ » রাজশাহী » নওগাঁয় গরিবদের ১০ টাকা কেজি চাল,ডিলার আলা নিজেই লোক দিয়ে চুরি করলো ৯ বস্তা

নওগাঁয় গরিবদের ১০ টাকা কেজি চাল,ডিলার আলা নিজেই লোক দিয়ে চুরি করলো ৯ বস্তা

মোঃ খালেদ বিন ফিরোজ,নওগাঁ প্রতিনিধিঃ দেশ রতœ শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাড়া বাংলাদেশে নিম্নবৃত্ত ও গরিবদের জন্য ১০ টাকা কেজি চাল ডিলার শীপদের মাধ্যমে চালু করেন।তাহাতে বাংলাদেশের গরিব দঃখি মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অনেকটা কষ্ট লাঘব হচ্ছে।এর মধ্য আওয়ামীলীগের কিছু অসাধু ডিলারশীপ আলা গরিব দুঃখিদের নাম ভাঙ্গিয়ে বেশী লাভের জন্য সেই চাল অন্যত্র বিক্রি করছে। যার করনে কারনে আওয়ামীলীগ সরকারের ভাবমুর্তি খুন্ন হচ্ছে।
এমনি ঘটনা ঘটনা ঘটেছে নওগাঁ সদর উপজেলার বলিহার ইউনিয়নের নিন্দইন ব্রীজের মোড়ে,ডিলারশীপ আবুল কাশেম প্রামানিক।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বহু লোকজনের সমাগম,স্থানীয় দোকান্দার,নাইটগার্ড,অভিযোগ করে বলেন,শনিবার রাত আনুমানিক ১১ টার সময় বাহিরে বিছানা ফেলার সময়, হঠাৎ করে কোন এক দোকানের শাটার উঠানোর শব্দ হয়,তার কিছুক্ষন পরে বাবু নামের স্থানীয় এক ছেলে এসে তাকে বলে, চাল ডিলার আঃ কশেমের শাটার খোলা এতো রাতে ওখানে কে কি করছে? তখন তারা সহ দোকান্দার নাসির সেখানে গিয়ে দেখে চাল বিতরনের দোকানের শাটার খোলা।,চাল বিতরন কারী কাশেমের ভাতিজা সুজন ও কাশেমের মঠরসাইকেল বাহিরে।সুজনকে কি হচ্ছে জিঙ্গাসা করলে সে কিছু না বলে,দোকানের শাটার বন্ধ করে দেয়,তারপর তাকে সাথে নিয়ে রাস্তার পাশের গোডাউনে নিয়ে বলে এখানে কি রাখা হলো,সুজন কোন উত্তর দেয় না।তারপর সেই গোডাউনে রিয়াজ সহ কয়েকজন ডুকে দেখে সরকারী বিতরনের ১০ টাকা কেজি ৯ বস্তা চাল।ঐ চালের কথা জিঙ্গাসা করলে সুজন তাদের এই চাল নয় বলে অস্বীকার করে। তারপর তারা ঐ টিনের গোডাউনে আরেকটি তালা দিয়ে,নাইটগার্ডকে ভালো করে সকাল পর্যুন্ত দেখতে বলে সবাই চলে যায়।
সকালে সবাই মিলে গোডাউনে চালের বস্তা দেখতে গেলে সেখানে কোন চালের বস্তা নেই এবং পিছনের দরজা খোলা ও সেখানে যে চালের বস্তা ছিল,তার আলামত অনুযায়ী কিছু চাল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা দেখতে পাওয়া যায়।সেখানে উপস্থিত থাকা কয়েকজন উক্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা খুব লজ্জিত অবস্থায় এই রির্পোটারকে বলেন,কি বলবো ভাই,,এর বিরুদ্ধে এর আগেও অনেক অভিযোগ আছে,রাস্তার ইট চুরি করা,মানুষের কাছ থেকে সরকারী চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া সহ বহু অভিযোগ।এর কারনে আমাদের আওয়ামীলীগের অনেক বদনাম হয়, যার কারনে আমরাও বিভিন্ন জায়গায় লজ্জায় পড়ে যাই,মুখও দেখাতে পারিনা।
বলিহার ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল বলেন,সে আমাদের দলীয় লোক,কি পদে আছে জানতে চাইলে বলেন, এই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি।তিনি বলেন,ঘটনাটির জন্য আমরা সকলেই লজ্জার মধ্য পড়েছি,বিষয়টি আমাদের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আততাব সাহেবকে জানানো হয়েছে,আমরা দলীয় ভাবে এর জন্য বসে একটা সুরাহা করার চিন্তা করছি। এ বিষয়ে উক্তস্থান থেকে ডিলারশীপ আবুল কাশেমকে মোবাইল ফোন দিয়ে পরিচয় দিয়ে জানতে চাইলে সে অস্বীকার করে, এবং উক্ত স্থানে আসতে চায় না,পত্রিকায় খবরটি দিতে মানা করে ও বার বার এই সাংবাদিকের সাথে পারশনাল দেখা করতে চায়। সাংবাদিক তাতে নাকজ করে দেয়।স্থানীয়রা আবুল কাশেমের এ হেন কর্মকান্ডর জন্য জোড় প্রতিবাদ জানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *