বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮, ১১:২২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
Home » আন্তর্জাতিক » দ.কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের বান্ধবীর ২০ বছরের কারাদণ্ড

দ.কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের বান্ধবীর ২০ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

দুর্নীতির অভিযোগে ২০ বছরের সাজা পেয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন হে’র বান্ধবী চৈ সুন শিল। মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাষ্ট্রীয় কাজে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগে তাকে এ সাজা দেয়।

 

সিউলের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক কোর্ট চৈ সুন শিলকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১৬ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার দুটো বড় ইলেকট্রনিক কোম্পানি চৈ সুন শিলকে ডোনেশন দেয়। বিনিময়ে ওই কোম্পানি দুটোর হয়ে পার্কের ওপর অবৈধ চাপ প্রয়োগ করেছিল চৈ। সেই অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হলে তিনি সাজা পান। দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন হে এ মুহূর্তে পুলিশের হেফাজতে আছেন। এ বছরের শেষে তার রায় হতে পারে। দুর্নীতির আরেক অভিযোগে চৈ সুন শিলের তিন বছরের সাজা হয়েছে। তাছাড়া চৈ সুন শিল কে ঘুষ দেয়ার অভিযোগে লট্টি গ্রুপের চেয়ারম্যান সিন ডং বিনকে আড়াই বছরের সাজা দিয়েছিল সিউল আদালত।

 

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন হে’র সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ লোক ছিলেন চৈ সুন শিল। রাষ্ট্রীয়ভাবে তিনি কোনো সরকারি পদে ছিলেন না। তারপরও পার্কের উপদেষ্টা মনে করা হতো তাকে। দক্ষিণ কোরিয়ার আর্থিক কেলেঙ্কারিতে তার নাম জড়িয়ে গেলে প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন হে ফেঁসে যান। অবশেষে পার্ক গিউনকে হে কে ক্ষমতা ছাড়তে হয়।

 

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৭ সালের মে মাসে ক্ষমতা ছাড়েন পার্ক গিউন হে। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজপথে পার্কের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলন সামাল দিতে দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট পার্ক গিউন হের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনে দেশটির আইনপ্রণেতারা। পরে পদত্যাগ করেন পার্ক গিউন হে। আর পদত্যাগ করার পরই তিনি গ্রেফতার হন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিচার চলতে থাকে। প্রেসিডেন্ট থাকার সময় পার্কের বিচার করা যাচ্ছিলো না দায়মুক্তির বর্ম থাকার কারণে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *