বুধবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৮, ১:৩১:১২ পূর্বাহ্ণ
Home » অন্যান্য » ঝিনাইদহ শহরের শিশু হাসপাতালের সামনে ওষুধ ফার্মেসীর ভিতর একজনকে কুপিয়ে হত্যা !

ঝিনাইদহ শহরের শিশু হাসপাতালের সামনে ওষুধ ফার্মেসীর ভিতর একজনকে কুপিয়ে হত্যা !

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :
ঝিনাইদহ শহরের শিশু হাসপাতালের সামনে ওষুধ ফার্মেসীতে মিজানুর রহমান (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে ফিরোজ ফার্মেসীর মালিক আমিরুল ! ঘটনাটি ১০ই আগষ্ট শুক্রবার দিন গত রাত ৯টার দিকে ঘটেছে। নিহত মিজানুর রহমান ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার দীঘল গ্রামের মৃত. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে পেশায় একজন ভুষিমাল ও জমি ব্যবসায়ী। প্রত্যাক্ষদর্শী থেকে জানাগেছে, প্রতিদিনের ন্যায় ঝিনাইদহ শহরের শিশু হাসপাতালের সামনে ফিরোজ ফার্মেসীর মালিক আমিরুলের সাথে গল্প করছিলেন মিজানুর রহমান। রাত ৯টার দিকে গল্পের একপর্যায়ে হঠাত করে মিজানুর রহমান চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজন ছুটে আসলে ফার্মেসী মালিক আমিরুল চাকু হাতে পালিয়ে যায়। পরে স্থাণীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ রাত ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ মর্গে পাঠায়। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান, নিজেদের মধ্যে কোনো বিরোধের জের ধরে আমিরুল মিজানুর রহমানকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে মর্মে ধারনা করা হচ্ছে। তবে আমিরুলকে গ্রেফতার করতে বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস সাংবাদিকদের জানান, ফার্মেসীর মালিক আমিরুল ইসলাম ঝিনাইদহ শহরের ভুটিয়ারগাতী উত্তর পাড়া গ্রামের আঃ রশিদের ছেলে। তাকে ধরতে বারংবার ভুটিয়ারগাতীতে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে প্রত্যাক্ষদর্শী মুরগী ব্যাবসায়ী আঃ আজিজ জানান, ঘটনার সময় ঐ স্থানের রাস্তার ওপাশ থেখে দেখতে পেলাম ফিরোজ ফার্মেসীর মালিক আমিরুল তার ফার্মেসীর সাটার দ্রুত বন্ধ করে চাকু হাতে দৌড়াচ্ছে। এ সময় আমি তাকে দাড়াতে বললে সে আমার কথা না শুনে দৌড়াতে দৌড়াতে পালিয়ে যায়। নিহত মিজানুর রহমানের ভাগ্নে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল জানান, ব্যাবসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মামা মিজানুর রহমান প্রায়ই আমিরুলের ফার্মেসীতে বসে গল্প করতো। সেই সুত্রে আজ রাতেও মামা একই ভাবে আমিরুলের ফার্মেসীতে বসে কথা বার্তা বলছিলো। মামা মিজানুর রহমান ফার্মেসীর মালিক আমিরুলের কাছে ট্রাক কিনতে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা দিয়েছিলো। মনে হচ্ছে এই টাকা ফেরৎ নেয়ার বিষয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে আমিরুল মামাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *