শনিবার, এপ্রিল ২০, ২০১৯, ৩:১৬:০৪ পূর্বাহ্ণ
Home » অন্যান্য » চট্টগ্রামেও আইয়ুব বাচ্চুর জানাজায় মানুষের ঢল

চট্টগ্রামেও আইয়ুব বাচ্চুর জানাজায় মানুষের ঢল

অনলাইন ডেস্ক :
জন্মস্থান চট্টগ্রামে কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বাদ আসর ৪টা ৩৭ মিনিটে নগরীর জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে হাজারও মুসল্লির অংশগ্রহণে তার চতুর্থ জানাজা সম্পন্ন হয়। নামাজে জানাজায় ইমামতি করেন জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদের খতিব অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ আবু তালেব মো. আলাউদ্দিন।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন আইয়ুব বাচ্চুর বাবা মোহাম্মদ ইছহাক, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান, পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমান, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, নগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান ও যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু।
এখন জানাজা শেষে তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নগরের বাইশমহল্লা চৈতন্যগলি কবরস্থানে। সেখানে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের কবরের পাশে এই গুণী সঙ্গীতশিল্পীকে দাফন করা হবে।
এর আগে বেলা ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত আইয়ুব বাচ্চুর কফিন রাখা হয় তার নানার বাড়ি নগরের পূর্ব মাদারবাড়ি বালুর মাঠে। এরপর বিকেলে ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত তার কফিন সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয় জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে। সেখানে আসরের নামাজ শেষে জানাজা হয়। জানাজায় হাজারও মানুষ অংশ নেন। জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দান পরিণত হয় জনসমুদ্রে। মাঠ ছাড়িয়ে পাশের সড়কেও সাধারণ মানুষ অবস্থান নেন। আশপাশের বিভিন্ন ভবনের ছাদে জড়ো হন নারী ও শিশুরা।
এদিকে জানাজার আগে প্রিয় শিল্পীকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে ভিড় করতে থাকেন হাজার হাজার মানুষ।
নানা শ্রেণি-পেশার মানুষকে হাতে ফুলসহ নানা প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায়। অনেকে প্রিয় শিল্পীর নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
গত (১৮ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার সকালে না ফেরার দেশে চলে যান আইয়ুব বাচ্চু। শুক্রবার বাদ জুমা জাতীয় ঈদগাহে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ নেয়া হয় তার গানের স্টুডিও মগবাজারে ‘এবি কিচেনে’। সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়। এরপর মরদেহ নেয়া হয় চ্যানেল আই কার্যালয়ে। সেখানে তৃতীয় জানাজা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহ রাখা হয় সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *