বুধবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮, ১০:৫২:৪৬ অপরাহ্ণ
Home » সারাদেশ » খুলনা » গরীব বলে কি বিচার পাবোনা?

গরীব বলে কি বিচার পাবোনা?

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদার উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ওসমানপুরে (বেদেপোতা) যৌতুক দিতে না পারায় শিশু সন্তান সহ স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার চিৎলা হাসপাতাল পাড়ার পাষন্ড স্বামী রফিকুলের বিরুদ্ধে। অসহায় কাকলী তার শিশু সন্তানকে নিয়ে ভেঙ্গে পড়েছে একেবারে।

 

জানা যায় যে, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বেদেপোতা গ্রামের অসহায় দরিদ্র ডাব বিক্রেতা রবিউলের মেয়ে কাকলী’র সাথে উপজেলার চিৎলা হাসপাতাল পাড়ার রফিকুলের ছেলে সুজ্জলের সাথে আনুমানিক বছর ৬ পূর্বে ৭৫ হাজার টাকা দেনমোহরে বিবাহ হয়। বিবাহের পরে রবিউল জামাইকে যৌতুক হিসাবে কষ্টার্জিত গোছানো নগদ টাকা, টেলিভিশন সহ আসবাবপত্র দেয়। সংসার চলার পরে কাকলী কোল জুড়ে আসে সন্তান। গত ৬ মাস পূর্বে আবারো যৌতুকের দাবীতে কাকলীর উপর অমানুষিক নির্যাতন করে সুজ্জল, তার মা ও বাবা।

 

খবর পেয়ে কাকলীর বাবা কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির সহায়তায় মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে আসলে সুজ্জল তালাকের কাগজ পাঠায় কাকলীর বাড়ি। এ বিষয়ে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে চিৎলার লুৎফর মেম্বর,কুতুব মেম্বর সহ কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সকল মেম্বরদের সামনে কাকলীর দেনমোহর খোরপোষ বাবদ ৭৫ হাজার টাকায় মিমাংসা করে নেতৃবৃন্দ। সুজ্জলের পরিবার ১০ হাজার টাকা জমা দিয়ে বাকি টাকা আর পরিশোধ না করেই অনত্র বিয়ে করে। কাকলীর দেনমোহর খোরপোষ বাবদ ৭৫ হাজার টাকায় মিমাংসা হলেও তার শিশুর ভোরন পোষনের টাকা কে দেবে। বাচ্চাটি যাতে করে প্রতিমাসে সাবালক না হওয়া পযর্ন্ত তার বাবার কাছে তিন হাজার টাকা করে পায় তার দাবী তুলেছে সচেতন মহল।

 

কারণ তারা বিচার না মেনে অসহায় বলে দাপট দেখাচ্ছে। বর্তমানে কাকলির পরিবার অসহায় হওয়ায় প্রতিদিন কাউন্সিলে ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কাকলীর বাবা বলেন গরীব বলে কি বিচার পাবোনা? দেশে কি আইন নেই। গরীব অসহায় এ পরিবারটির প্রতি আইনী সহায়তা দিতে জেলার মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *