শনিবার, জুলাই ২১, ২০১৮, ৪:০৭:১৬ পূর্বাহ্ণ
Home » সারাদেশ » খুলনা » কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় জি.কে সেচ প্রকল্পের কৃষকরা আজ সর্বশান্ত

কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় জি.কে সেচ প্রকল্পের কৃষকরা আজ সর্বশান্ত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার জি.কে সেচ প্রকল্পের উদাসীনতার কারণে কৃষকরা আজ সর্বশান্ত। প্রায় ১৫০ একর জমির ধান ডুবে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও আম বাগান, লিচু বাগান সহ লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা। জি.কে সেচ প্রকল্পের লেকের সাথে বাঁধটি এখন কাল হয়ে দাড়িয়েছে।
কৃষকদের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভেড়ামারা জি,কে লেকের পূর্ব সাইডে পানি নিষ্কাশনের জন্য ৩৬’ ফুট চওড়া করে ১৯৮৭ সনে পানি নিস্কাসনের জন্য মূল লেক হইতে আলাদা করা হয়। লেকের মাছ চাষ করার জন্য লেকটি’র নির্মিত ড্রেনেজ খালটির কিছু অংশ হাসপাতালের পশ্চিম সাইডে অনুমান ৫০০ ফিট লম্বা জায়গা হইতে ২ ফিট উচু থেকে যায়, যাহা ইতিপূর্বে নির্বাহী প্রকৌশলী প.ও.র বিভাগ, কুষ্টিয়াকে লিখিত ভাবে অবগত করা হয়। উক্ত জায়গাটি উচু থাকার ফলে কৃষি আবাদের জমির জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ইতিপূর্বে জলবদ্ধতার পানি নিষ্কাশনের জন্য জানানো হলে কাজটি সমাধান করার আশ্বাস দেয়।
গত আগষ্ট/২০১৭ইং মাসে লেকের লিজ গ্রহিতা ড্রেনেজটি তাহাদের লিজকৃত বলে দাবি করেন এবং আমাদের পাম্পের পানি উত্তলোনের মূল মুখ বন্ধ করে দেন বালির বস্তা দ্বারা। মুখ বন্ধ করে সেখানে মাছ চাষের জন্য মূল লেক হইতে ড্রেনেজ খালটি পানি নিস্কাশনের জন্য নির্মান করা হয়। সেখানে কি করে লিজ দেওয়া হয় তাহা আমাদের বোধগম্য নয়। ইতি পূর্বে আমরা জমির মাথাই ধান চাষের জন্য অস্থায়ী ভাবে পাঃ উঃ বোর্ডের বিধান মোতাবেক লিজের আবেদন করে। কতৃপক্ষ বলেন ড্রেনেজ খাল লিজ হবে না। (বাংলাদেশ সরকার পরিশিষ্ট “খ” স্মারক নং জি এল ৪/৮৬/১৪৭(৬৪) একুইন তারিখে ২২ শে মে ১৯৮৬তে গেজেডে বলা আছে) প্রকৃত জমির মালিককে বাদ দিয়া উচ্চ হারে কোন জমি লিজ দেওয়া যাইবেনা। গত ২৩/০৪/১৯৮৭ইং তারিখে ৩.এক/১/৮৭/১৩০৩ পত্র দ্বারা অবহিত করেছিলেন যে, কৃষি আবাদের কোন রকম সমস্যা হবে না এবং আমাদের কৃষি আবাদের জন্য সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করা হয়। ড্রেনেজের মধ্যে এবং সাইফুলের মুখে বানা দেওয়ার ফলে উজানের পানি বৃদ্ধি হয়ে হাসপাতালের মাঠ সহ উজানের প্রায় ১৫০ একর জমির ধান ডুবে নষ্ট হইয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *