রবিবার, অক্টোবর ২১, ২০১৮, ৩:১৯:৩৩ অপরাহ্ণ
Home » অপরাধ » কুষ্টিয়ায় পুলিশের সাথে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত, অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ৭ পুলিশ সদস্য আহত

কুষ্টিয়ায় পুলিশের সাথে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত, অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ৭ পুলিশ সদস্য আহত

রিয়াজুল ইসলাম সেতু কুষ্টিয়া॥ কুষ্টিয়ায় পুলিশের সাথে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফটিক ওরফে গাফ্ফার (৩৭) ও লিটন হোসেন (৪৫) নামের দুই মাদক ব্যাবসায়ী নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পুলিশের ৭সদস্য । মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে কুমারখালী উপজেলার লাহিনী পাড়া গড়াই নদীর পাড় সংলগ্ন ব্রীজের নিচে ও রাত ৩টায় ভেড়ামারা উপজেলার হাওয়াখালীর মাঠে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক ও ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম পৃথক এ বন্দুকযুদ্ধের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে আমরা জানতে পারি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে একদল
মাদক ব্যবসায়ী উপজেলার লাহিনী পাড়া গড়াই নদীর পাড় সংলগ্ন ব্রীজের নিচে অবস্থান করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে কুমারখালী থানা পুলিশ সেখানে অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক ব্যবসায়ী ফটিক ওরফে গাফ্ফার গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ ফটিক ওরফে গাফ্ফার কে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। ‘বন্দুকযুদ্ধে’র এ ঘটনায় কুমারখালী থানার এসআই হামিদুর রহমান, এসআই শফিকুল ইসলাম, এএসআই আনোয়ার হোসেন ও কনেস্টেবল মোঃ আলাউদ্দিন আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশী পিস্তুল, ১ রাউন্ড গুলি, ৭০০পিচ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করেছে। নিহত ফটিক ওরফে গাফ্ফার পুলিশের তালিকা ভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। নিহত ফটিক ওরফে গাফ্ফার কুমারখালী উপজেলার এলেঙ্গীপাড়ার মৃত ওসমান গণির ছেলে।
অন্যদিকে ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান। গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে আমরা জানতে পারি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে একদল
মাদক ব্যবসায়ী উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের হাওয়াখালী মাঠে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভেড়ামারা থানা পুলিশের একটি টহলদল সেখানে অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী লিটন হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ লিটনকে উদ্ধার করে ভেড়ামারা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।‘বন্দুকযুদ্ধে’র এ ঘটনায় ভেড়ামারা থানার এসআই সালাউদ্দিন, কনেস্টেবল মোঃ আমিনুর ও সানোয়ার হোসেন আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীও তৈরী সাঁটারগান, ৩রাউন্ড গুলি, ৫০০পিচ ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করেছে। নিহত লিটন হোসেন পুলিশের তালিকা ভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। নিহত লিটন ভেড়ামারা পৌরসভা এলাকার নওদা পাড়ার মৃত গোলজার হোসেনের ছেলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *