রবিবার, অক্টোবর ২১, ২০১৮, ৩:২১:৫৮ অপরাহ্ণ
Home » অন্যান্য » কুষ্টিয়ার ছেলে অরিত্র পাল তবলায় জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার পেল

কুষ্টিয়ার ছেলে অরিত্র পাল তবলায় জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার পেল

কুষ্টিয়ার ছেলে অরিত্র পাল। এবার তবলায় (তালযন্ত্রে) জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার পেয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধিনে, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির আয়োজনে জাতীয় পর্যায়ে শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা-২০১৮ তে ‘ক’ গ্রুপে তালযন্ত্রে (তবলায়) কুষ্টিয়া ছেলে অরিত্র পাল এ কৃতিত্ব অর্জন করেন। প্রতিযোগিতায় হারমোনিয়ামে নাগমা বাজিয়ে সহযোগিতা করেন অরিত্র পাল’র দিদি অমৃতা পাল।
ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহামান্য রাষ্টপতি আবদুল হামিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি।
অতিথিবৃন্দ বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এবং পরিচালক আনজীর লিটন স্বাক্ষরিত সনদপত্র অরিত্র পালের হাতে তুলে দেন। সেই সাথে জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করায় অরিত্র পালকে মেডেল পড়িয়ে পুরস্কৃত করেন।
অরিত্র পাল’র বাবা নড়াইল’র উপজেলা শিক্ষা অফিসার অসিত বরণ পাল জানান, তানসেন সঙ্গীত একাডেমির পরিচালক ওস্তাদ মতিয়ার রহমানের কাছে মেয়ে অমৃতা পাল শাস্ত্রীয় সঙ্গীত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করাকালীন সময়ে তবলার প্রতি অরিত্র’র আকর্শন সৃষ্টি হয়। এরমধ্যে রিক্সা থেকে পরে গিয়ে হাত ভেঙে যায় অরিত্র’র। চিকিৎসক হাতের ব্যায়াম করতে বলে। আর এ থেকে অরিত্র তবলার প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে এবং তবলা প্রশিক্ষণ শুরু করে।
অরিত্র পাল’র মা রতœা পাল জানান, দেবী সরস্বতীর আর্শিবাদে জ্ঞান বিদ্যায় পূর্ণতা লাভ করে অরিত্র কুষ্টিয়া তথা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে এটিই প্রত্যাশা। অরিত্র পালের তালযন্ত্র প্রশিক্ষক বিশিষ্ট তবলা শিল্পী আকাশ চক্রবর্তী জানান, কুষ্টিয়াতে এই প্রথমবারের মত কেউ তবলায় জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করলো। আর সেটা হলো অরিত্র। কুষ্টিয়াতে সঙ্গীত শিল্পী অনেক আছে, কিন্তু তালযন্ত্রের শিল্পীর সংখ্যা অনেক কম। তাই অরিত্র’র জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভে তালযন্ত্রের প্রতি নতুন প্রজন্ম উৎসাহ পাবে। আর অরিত্র’র মধ্যে ভক্তি-শ্রদ্ধা আছে। সে পারবে এগিয়ে যেতে।
জাতীয় পর্যায়ে তালযন্ত্রে পুরস্কার প্রাপ্ত অরিত্র পাল জানান, আমার দিদি অমৃতা পাল সঙ্গীত প্রশিক্ষণকালে আমার ইচ্ছে হতো দিদির গানের সাথে তবলা বাজানো। আর বাবা ও মায়ের সহযোগিতা পেয়েছি, তাই আজ জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করতে পেরেছে। আমি সকলের আর্শিবাদ প্রার্থী।
উল্লেখ্য, অরিত্র পাল কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের প্রভাতি শাখার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। সে কুষ্টিয়া শহরের ১১৫/৭৬ থানাপাড়া এনএস রোডের বাসিন্দা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *