বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৮, ২:৩১:২৪ অপরাহ্ণ
Home » মতামত » কী হতে পারে বেগম খালেদা জিয়ার?

কী হতে পারে বেগম খালেদা জিয়ার?

আব্দুল বারী:
বেগম খালেদা জিয়ার ৫ বছরের জেল হয়েছে। এখন তার কি হতে পারে এনিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে নানান আলোচনা। গতকাল সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবে কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিকের চায়ের আড্ডায় উঠেছিল এই প্রসঙ্গ।
সাজা মওকুফের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করা ছাড়া আর কোন সুযোগ নেই। আপিল করতে হলে প্রয়োজন রায়ের কপি। সাজা হয়েছে বৃহস্পতিবার। কপির আবেদন হতে পারে আগামী রবিবার। কোন কারনে যদি রায়ের কপি ওইদিন না পাওয়া যায় বা পেতে বিলম্ব হয় তাহলে কি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে রায়ের কপি ছাড়াও আপিল হতে পারে। আদালত যদি আপিল গ্রহন করে তাহলে কি সে জামিন পেতে পারে? সেটা নিতান্তই আদালতের এখতিয়ার। মামলা হয়েছে ১/১১’ র সরকারের আমলে। এই মামলা চলতে পারে কিনা তা নিয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন হয়েছে ১৬ বার। তারপর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে নিম্ন আদালতে চলেছে বিচারিক কার্যক্রম। তাই উচ্চ আদালতে জামিন পাওয়ার সুযোগ সংকীর্ণ হয়ে গেছে। আবার অপরাধের ধরণ বিবেচনায় খালেদা জিয়া এই মামলার মুখ্য আসামী নয়। কারণ আলোচিত টাকাগুলো ডিডি আকারে সৌদি আরবের একটি ব্যাংক থেকে প্রধানমন্ত্রীর চ্যারিটেবল ফান্ডের হিসাবে জমা হয়েছিল। সেখান থেকে মুখ্য সচিবের স্বাক্ষরে ওই টাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ফান্ডে হস্তান্তর হয়। এতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দায় লঘু। সে কারনে তার জামিন অধিকারের পর্যায়ে পড়ে। কাজেই সে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সে জামিনে মুক্তি পেয়ে যেতে পারে।
কেউ কেউ বললেন জামিন অত সহজ নয়। সে আরো ৪ টি মামলার আসামী। ওইসব মামলায় নেওয়া জামিন বাতিল করে তাকে শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানো হতে পারে। আরেকজন বললেন শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানোর সুযোগ নেই। কারন তিনি সবকটি মামলায় জামিনে আছেন। জামিনের অপব্যবহার বা জামিন বাতিল হওয়ার মত কোন অপরাধ করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে নেই। কাজেই জামিনে মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই জোরালো।
যত আলোচনাই হোক না কেন আগামী সপ্তাহের বাস্তবতার মধ্যেই লুকিয়ে আছে এই আলোচনার ফলাফল।

//এল//

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *