শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮, ১০:৪১:৩২ অপরাহ্ণ
Home » খেলাধুলা » আইনের হাত অনেক লম্বা, অনেকগুলো স্তর রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া। রাজধানীর পল্টনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের আয়োজনে রাজধানীর পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ডিএমপি কমিশনার। এ সময় প্রায় ১ হাজার কম্বল বিতরণ করেন তিনি। পরে উপস্থিত সাংবাদিকরা ‘গুলি করে হত্যার হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে দুই সাংবাদিকের জিডি তিন দিনেও ভাটারা থানা পুলিশ কেন গ্রহণ করেনি?’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জিডি করেছিল, করতে গিয়েছিল, জিডি নেয়নি এ ধরনের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। যদি এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমার কাছে কেউ করে, তবে অবশ্যই তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আছাদুজ্জামান বলেন, আমাদের ডিআইজি মিজানের যে বিষয়টা, এই অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ) মঈনুর রহমান চৌধুরীকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যেই তাদের কাজ শুরু করেছেন। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ দেয়া হবে। কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আমরা একাধিকবার এটা বলেছি, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, আইন লঙ্ঘন বা আইনের অপব্যবহার কেউ করলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এটি অবশ্যই যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সাধারণ ডায়েরি কোনো মামলা নয়, একটি মাত্র ইনফেরমেশন। সাধারণ ডায়েরি নেয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আছে বলে আমার জানা নেই। তবে তারা তিনদিন গিয়েছেন, এমনটি আমি জানি না। যে সাংবাদিকদের কথা বলছেন, তারা আমাকে চিনেন, তারা আমার অফিসেও আসেন। আমার সাথে তাদের যোগাযোগ আছে। তবে তারা কেউ টেলিফোনে বা অফিসে এসে এমন কোনো অভিযোগ করেনি। তিনি আরো বলেন, আমি তর্কের খাতিরে যদি এটা ধরে নেই। তা হলে আইনের হাত কিন্তু অনেক লম্বা, অনেক স্তর রয়েছে। থানায় যদি কোনো কার্যক্রম গ্রহণ না করে তিনি কিন্তু আদালতে যেতে পারেন। অথবা থানার উপরের যে স্তরগুলো রয়েছে, সেসব জায়গায় কিন্তু অভিযোগ করার সুযোগ করেছে। এক স্থলে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে তা হলে পরবর্তীতে অনেকগুলো ধাপ রয়েছে। সুতরাং আমি বলব এটা কতটুকু সঠিক সেটা আমি জানি না। তবে আমরা যদি কোনো অভিযোগ পাই তা হলে এটা অবশ্যই তদন্ত করে খতিয়ে দেখব। এর আগে পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি, ভালোবাসি লাল-সবুজের পতাকাকে, ভালোবাসি আপনাদেরকে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পুলিশ জীবন দিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, আপনাদের সামনের আমরা বৃটিশ আমলের পুলিশ না। না কোনো পাকিস্তান হানাদারদের পুলিশ। আমরা বাংলাদেশের পুলিশ। আপনাদের ঘরের সন্তান। আপনাদের প্রতি বুক ভরা ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ, সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে আমরা এখানে এসেছি। এসেছি মানুষ হিসেবে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, যদি কেউ বিপদে পড়ে থানায় যায় তাকে অবশ্যই সেবা দিতে হবে। এই নিয়ে গড়িমসি করলে তাকে থানায় রাখা হবে না। সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী ও জঙ্গিসহ অন্যান্য অপরাধ যেভাবে আমরা দমন করছি, ঠিক সেভাবে আপনাদের সেবা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। উল্লেখ্য সম্প্রতি ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে এক নারীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোর করে বিয়ে এবং ওই নারীকে নির্যাতন করার বিষয়ে দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ডিআইজি ওই বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য, ক্র্যাব বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার নেসারুল হক খোকন এবং যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ তুহিনকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এছাড়াও এ ঘটনায় মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আইনের হাত অনেক লম্বা, অনেকগুলো স্তর রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া। রাজধানীর পল্টনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের আয়োজনে রাজধানীর পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ডিএমপি কমিশনার। এ সময় প্রায় ১ হাজার কম্বল বিতরণ করেন তিনি। পরে উপস্থিত সাংবাদিকরা ‘গুলি করে হত্যার হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে দুই সাংবাদিকের জিডি তিন দিনেও ভাটারা থানা পুলিশ কেন গ্রহণ করেনি?’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জিডি করেছিল, করতে গিয়েছিল, জিডি নেয়নি এ ধরনের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। যদি এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমার কাছে কেউ করে, তবে অবশ্যই তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আছাদুজ্জামান বলেন, আমাদের ডিআইজি মিজানের যে বিষয়টা, এই অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ) মঈনুর রহমান চৌধুরীকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যেই তাদের কাজ শুরু করেছেন। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ দেয়া হবে। কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আমরা একাধিকবার এটা বলেছি, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, আইন লঙ্ঘন বা আইনের অপব্যবহার কেউ করলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এটি অবশ্যই যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সাধারণ ডায়েরি কোনো মামলা নয়, একটি মাত্র ইনফেরমেশন। সাধারণ ডায়েরি নেয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আছে বলে আমার জানা নেই। তবে তারা তিনদিন গিয়েছেন, এমনটি আমি জানি না। যে সাংবাদিকদের কথা বলছেন, তারা আমাকে চিনেন, তারা আমার অফিসেও আসেন। আমার সাথে তাদের যোগাযোগ আছে। তবে তারা কেউ টেলিফোনে বা অফিসে এসে এমন কোনো অভিযোগ করেনি। তিনি আরো বলেন, আমি তর্কের খাতিরে যদি এটা ধরে নেই। তা হলে আইনের হাত কিন্তু অনেক লম্বা, অনেক স্তর রয়েছে। থানায় যদি কোনো কার্যক্রম গ্রহণ না করে তিনি কিন্তু আদালতে যেতে পারেন। অথবা থানার উপরের যে স্তরগুলো রয়েছে, সেসব জায়গায় কিন্তু অভিযোগ করার সুযোগ করেছে। এক স্থলে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে তা হলে পরবর্তীতে অনেকগুলো ধাপ রয়েছে। সুতরাং আমি বলব এটা কতটুকু সঠিক সেটা আমি জানি না। তবে আমরা যদি কোনো অভিযোগ পাই তা হলে এটা অবশ্যই তদন্ত করে খতিয়ে দেখব। এর আগে পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি, ভালোবাসি লাল-সবুজের পতাকাকে, ভালোবাসি আপনাদেরকে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পুলিশ জীবন দিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, আপনাদের সামনের আমরা বৃটিশ আমলের পুলিশ না। না কোনো পাকিস্তান হানাদারদের পুলিশ। আমরা বাংলাদেশের পুলিশ। আপনাদের ঘরের সন্তান। আপনাদের প্রতি বুক ভরা ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ, সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে আমরা এখানে এসেছি। এসেছি মানুষ হিসেবে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, যদি কেউ বিপদে পড়ে থানায় যায় তাকে অবশ্যই সেবা দিতে হবে। এই নিয়ে গড়িমসি করলে তাকে থানায় রাখা হবে না। সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী ও জঙ্গিসহ অন্যান্য অপরাধ যেভাবে আমরা দমন করছি, ঠিক সেভাবে আপনাদের সেবা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। উল্লেখ্য সম্প্রতি ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে এক নারীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোর করে বিয়ে এবং ওই নারীকে নির্যাতন করার বিষয়ে দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ডিআইজি ওই বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য, ক্র্যাব বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার নেসারুল হক খোকন এবং যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ তুহিনকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এছাড়াও এ ঘটনায় মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

স্পোর্টস ডেস্ক:

আইনের হাত অনেক লম্বা, অনেকগুলো স্তর রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া। রাজধানীর পল্টনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের আয়োজনে রাজধানীর পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ডিএমপি কমিশনার। এ সময় প্রায় ১ হাজার কম্বল বিতরণ করেন তিনি।

পরে উপস্থিত সাংবাদিকরা ‘গুলি করে হত্যার হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে দুই সাংবাদিকের জিডি তিন দিনেও ভাটারা থানা পুলিশ কেন গ্রহণ করেনি?’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জিডি করেছিল, করতে গিয়েছিল, জিডি নেয়নি এ ধরনের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। যদি এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমার কাছে কেউ করে, তবে অবশ্যই তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আছাদুজ্জামান বলেন, আমাদের ডিআইজি মিজানের যে বিষয়টা, এই অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ) মঈনুর রহমান চৌধুরীকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যেই তাদের কাজ শুরু করেছেন। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ দেয়া হবে। কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আমরা একাধিকবার এটা বলেছি, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, আইন লঙ্ঘন বা আইনের অপব্যবহার কেউ করলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এটি অবশ্যই যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সাধারণ ডায়েরি কোনো মামলা নয়, একটি মাত্র ইনফেরমেশন। সাধারণ ডায়েরি নেয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আছে বলে আমার জানা নেই। তবে তারা তিনদিন গিয়েছেন, এমনটি আমি জানি না। যে সাংবাদিকদের কথা বলছেন, তারা আমাকে চিনেন, তারা আমার অফিসেও আসেন। আমার সাথে তাদের যোগাযোগ আছে। তবে তারা কেউ টেলিফোনে বা অফিসে এসে এমন কোনো অভিযোগ করেনি।

তিনি আরো বলেন, আমি তর্কের খাতিরে যদি এটা ধরে নেই। তা হলে আইনের হাত কিন্তু অনেক লম্বা, অনেক স্তর রয়েছে। থানায় যদি কোনো কার্যক্রম গ্রহণ না করে তিনি কিন্তু আদালতে যেতে পারেন। অথবা থানার উপরের যে স্তরগুলো রয়েছে, সেসব জায়গায় কিন্তু অভিযোগ করার সুযোগ করেছে। এক স্থলে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে তা হলে পরবর্তীতে অনেকগুলো ধাপ রয়েছে। সুতরাং আমি বলব এটা কতটুকু সঠিক সেটা আমি জানি না। তবে আমরা যদি কোনো অভিযোগ পাই তা হলে এটা অবশ্যই তদন্ত করে খতিয়ে দেখব।

এর আগে পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি, ভালোবাসি লাল-সবুজের পতাকাকে, ভালোবাসি আপনাদেরকে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পুলিশ জীবন দিয়ে কাজ করছে।

তিনি বলেন, আপনাদের সামনের আমরা বৃটিশ আমলের পুলিশ না। না কোনো পাকিস্তান হানাদারদের পুলিশ। আমরা বাংলাদেশের পুলিশ। আপনাদের ঘরের সন্তান। আপনাদের প্রতি বুক ভরা ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ, সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে আমরা এখানে এসেছি। এসেছি মানুষ হিসেবে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে।

পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, যদি কেউ বিপদে পড়ে থানায় যায় তাকে অবশ্যই সেবা দিতে হবে। এই নিয়ে গড়িমসি করলে তাকে থানায় রাখা হবে না। সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী ও জঙ্গিসহ অন্যান্য অপরাধ যেভাবে আমরা দমন করছি, ঠিক সেভাবে আপনাদের সেবা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।

উল্লেখ্য সম্প্রতি ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে এক নারীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোর করে বিয়ে এবং ওই নারীকে নির্যাতন করার বিষয়ে দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ডিআইজি ওই বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য, ক্র্যাব বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার নেসারুল হক খোকন এবং যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ তুহিনকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এছাড়াও এ ঘটনায় মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *